New Land Visa Consultancy Service

New Land Visa Consultancy Service "Allah is Almighty"
যেখানে শেষ! সেখানেই শুরু!
গ্রাহক সেবা শতভাগ নিশ্চত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য!

মাত্র ৬০ দিনে পেতে পারেন ডেনমার্কের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবেঃআবেদনের লিংক কমেন্টেঃডেনমার্ক ওয়ার্ক...
05/24/2025

মাত্র ৬০ দিনে পেতে পারেন ডেনমার্কের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা।

অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবেঃ
আবেদনের লিংক কমেন্টেঃ

ডেনমার্ক ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করবেন যেভাবে: নিজেই করুন আবেদন:

ডেনমার্কের ওয়ার্ক পারমিট ভিসার নির্ভরশীল হওয়া একদমই প্রয়োজন নেই। সঠিক তথ্য জানলে আপনি নিজেই সহজে আবেদন করতে পারবেন।

কোথায় কাজ খুঁজবেন?

ডেনমার্কে চাকরি খুঁজতে নিম্নলিখিত ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন:

1. Work in Denmark – ডেনমার্ক সরকারের অফিসিয়াল চাকরি পোর্টাল।

2. Jobindex – ডেনমার্কের অন্যতম জনপ্রিয় চাকরি সন্ধানের প্ল্যাটফর্ম।

3. LinkedIn – প্রোফাইল তৈরি করে সরাসরি নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

4. EURES – ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাকরি প্ল্যাটফর্ম।

আবেদন প্রক্রিয়া

1. চাকরি নিশ্চিত করুন: চাকরি পাওয়ার পর নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি অফার লেটার সংগ্রহ করুন।

2. ডকুমেন্ট প্রস্তুত করুন: পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, চুক্তিপত্র, বেতন স্টেটমেন্ট, এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতার প্রমাণপত্র।

3. অনলাইনে আবেদন করুন: ডেনমার্কের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইট Ny i Danmark -এ ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করুন।

4. ফি পরিশোধ করুন: আবেদন জমা দেওয়ার সময় নির্ধারিত ফি জমা দিন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ইংরেজিতে দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

স্কিলড ওয়ার্কারদের জন্য Positive List Scheme সুবিধা আছে।

সতর্ক থাকুন । সমস্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করলে ডেনমার্কে চাকরি এবং স্থায়ী হওয়া সহজ হবে।

জনসচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপারে আছি আপনার পাশে।

✅সব সময় ভিসার রেসিও ভালো চাইলে অবশ্যই ইউরোপের গরিব দেশ গুলোতে এপ্লাই করবেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার চান্স বেশি থাকবে✈️➡...
11/30/2024

✅সব সময় ভিসার রেসিও ভালো চাইলে অবশ্যই ইউরোপের গরিব দেশ গুলোতে এপ্লাই করবেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার চান্স বেশি থাকবে✈️
➡️➡️এপ্লাই করবেন সার্বিয়া, বুলগেরিয়া,ক্রোয়েশিয়া,মেসিডোনিয়া, আলবেনিয়া, কসোভো কিংবা বেলারুশ এই দেশগুলোতে আমাদের মত দেশের ভিসার রিসিও ভালো থাকে। ভিসা পাইয়া ঢুকেন খাওয়া কার, থাকা কার ,কী কাজ না দেখে শুধু ভিসার দিকে ফোকাস দেন। ভিসা পাবেন কি না সেই বিষয়ে মনযোগ দিবেন। ঢুকতে পারলে শত প্রতিকূলতার পরেও আপনি ভাগ্যবান,কারণ অনেকে ৩ বার ৪ বার রিজেক্ট খেয়েও ইউরোপ যেতে পারে না 🌏
📣কোন ভাবে যদি একবার পৌছে যান আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আপনি আর বের হইতে চাইবেন না, আর আপনাকে কেউ বের করে দিতে পারবে না।
একবার ঢুকতে পারলে ২৯ টা দেশের যেখানে ইচ্ছে চলে যেতে পারবেন। এত করে বুঝাই তারপরও কেউ বুঝে না। 🇪🇺🇪🇺
✅✅আপনি বৈধ ভিসা নিয়ে ইউরোপে ঢুকবেন তাতেই আপনার এত কিছু চিন্তা করতে হয় আর যে মানুষটা লিবিয়া হয়ে আটলান্টিক মহাসাগর পার হয়ে ঢুকে সে কি কখনো খাওয়ার চিন্তা করে আসে থাকার চিন্তা করে আসে!
একটু ভাবলেই উত্তর পেয়ে যাবেন,মোটকথা ইউরোপ ইউরোপ ই🇪🇺✈️✈️
সবার জন্য শুভকামনা, নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
পরামর্শঃ যে কোন কাজে দক্ষতা অর্জন করুন
Album:serbia🇷🇸


রোমানিয়া ভিসা রিজেক্ট হওয়ার কারন কি ?চলুন তবে আজকে জেনে আসি রোমানিয়া তে কোন Article দিয়ে কোনটা হয় তাহলে খুব সহজে বুঝতে...
10/09/2023

রোমানিয়া ভিসা রিজেক্ট হওয়ার কারন কি ?

চলুন তবে আজকে জেনে আসি রোমানিয়া তে কোন Article দিয়ে কোনটা হয় তাহলে খুব সহজে বুঝতে পারবেন আপনার ভিসাটা কেন রিজেক্ট হয়েছে।
অনেক গুলো Art দিতে পারে তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো Art 27, Art 44 Or Art 45
যারা কাজের ভিসায় আসেন তাদের বেশির ভাগ 27 or 44 দেয়।।
তাহলে জেনে নিই কোনটা কেন হয়।
Art 27 দেয় বেশিরভাগ ইলিগ্যাল ইমিগ্রেশন এর ক্ষেত্রে মানে ওরা আপনাকে সন্দেহ করেছে যে আপনি রোমানিয়া গিয়ে থাকবেন না।
আবার দেখা যায় যে 27 এর মধ্যেও অনেক গুলো কোড দেয় যেমন 27 Art (2) এর মানে বুঝায় আপনি রোমানিয়া গিয়ে একে থাকবেন না, আপনি ইলিগ্যাল একটিভিটিসের সাথে জড়িত থাকবেন ইত্যাদি। মানে ২৭ এর যতই Art থাকবে সবই ইলিগ্যাল ইমিগ্রেশন এর সাথে জড়িত।
এরপর যদি কাউকে 44 Art এ রিফিউসাল দেয় এর সাথে একটা কোড মেনশন দেয় যেমন Art 44 2 (A), Art 44 2(B) ইত্যাদি।
যদি 44 (1) হয় এখানে ইমিগ্রেশন এর অথোরাইজেশন আনতেই হবে। এই Art হলে বুঝতে পারবেন এইটা ফেইক ডকুমেন্টস, বা পারমিট দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
Art 44(2)(A) দিলে বুঝতে হবে ফেইক পারমিট বা ফেইক ডকুমেন্টস দিয়ে সাবমিশন করা হয়েছে।
Art 44(2) (B) দিলে বুঝতে হবে আপনার গ্রস স্যালারি রোমানিয়ান ল অনুযায়ী দেওয়া হয়নাই ডকুমেন্টস এর মধ্যে।
Art 44(2)(C) দিলে বুঝতে হবে ফেইক পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জমা দেওয়া হয়েছে।
Art 44(2)(D) দিলে বুঝতে হবে আপনার ইন্সুইরেন্স ফেইক কিংবা ভ্যালিড না।
Art 44 (4) দিলে বুঝতে হবে আপনার সেন্ট ভেলিডেশন সময়ের মধ্যে দেওয়া হয়নাই
যারা স্টুডেন্ট তাদের Art 45 দেয়।
Art 45 (2) দিলে যোগ্যতা ফুলফিল করেনাই বা ইংরেজি প্রফিসিয়েন্সির জন্য এই Art দেয়।
45 (3) (A)
Art 45 (i) এনরোলমেন্ট এর ডেইট ওভার কিংবা এই ধরনের বিষয়।
Art 45(ii) পেমেন্ট প্রুফ না দেওয়া।
Art 45(iii) রোমানিয়া থাকার জন্য যা টাকা লাগবে যেগুলো দেখাতে ব্যর্থ।
Art 45(iv) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সমস্যা।
Art 45 (v) মেডিকেল ইন্সুইরেন্স সমস্যা।
Art 45 ( vi) জিনি স্পনসর হবেন উনার সম্পর্কে পুরোপুরি তথ্য মিল না পাওয়া।
Art 45 (3) (B)
Art 45(3) (B) (5)(v) ফেইক একোমোডেশন।
এছাড়া আরো অনেক কারনেই দিতে পারে তবে বেশিরভাগ সময় আমরা উপরের Art গুলো দেখতে পাই তাই আমি উপরের Art নিয়েই আলোচনা করলাম।

কানাডার টুরিস্ট ভিসায় সফলতা পাওয়ার জন্য কিছু ধাপ আছে যেগুলো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।🔶 প্রথমত যেই ধাপটি কান...
09/27/2023

কানাডার টুরিস্ট ভিসায় সফলতা পাওয়ার জন্য কিছু ধাপ আছে যেগুলো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।
🔶 প্রথমত যেই ধাপটি কানাডার ভিজিট ভিসা পাওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো VISA APPLICATION LETTER অথবা SOP (Statement of Purpose). অনেকেই হয়ত জানেন কানাডার টুরিস্ট ভিসা হলো ডকুমেন্টস নির্ভর ভিসা তবে ডকুমেন্টস থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলো এই VISA APPLICATION LETTER. আপনার ডকুমেন্টস অনেক স্ট্রং তবে আপনি যদি এই লেটারে নিজের ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে না পারেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুন্দর এবং সুমধুর একটি VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে আপনার ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয়তা গুলো উল্লেখ করা লাগবে। এই লেটারে আপনি যা উল্লেখ করবেন তা অবশ্যই আপনার প্রোফাইলের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ হওয়াটা জরুরি। তাই একজন প্রফেশনাল এক্সপার্ট কাওকে দ্বারা এই VISA APPLICATION LETTER লিখাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
🔶 দ্বিতীয়ত কানাডার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো অর্থনৈতিক অবস্থা প্রমান করা অথবা Proof of income. আপনি ব্যবসা বা চাকরি যেটাই করেন না কেনো, আপনার মাসিক আয় যে ভালো সেটা প্রমান করাটা জরুরি। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার ব্যাংকে অনেক অনেক পরিমাণ টাকা থাকা লাগবে। শুধুমাত্র কানাডা ঘুরে আসার জন্য যতোটুকু টাকা প্রয়োজন অতটুকু টাকা ব্যাংকে থাকাটাই যথেষ্ট।
🔶 তৃতীয় যেই জিনিষটি কানাডার ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো ট্রাভেল হিস্ট্রি বা পুর্বে অন্যান্য দেশে ট্রাভেল করার অভিজ্ঞতা থাকা। কানাডার মতো দেশে ট্রাভেল করার জন্য আপনার অবশ্যই দুই একটি দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী তবে ব্যাপারটি এমন নয় যে আপনি অনেকগুলো দেশ ভিজিট করলেই সহজে কানাডার ভিসা পেয়ে যাবেন। পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি কেবল একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে মাত্র। ট্রাভেল হিস্ট্রি এর পাশাপাশি আপনাকে সঠিক নিয়মে ডকুমেন্টস গুছাতে হবে এবং VISA APPLICATION LETTER লিখতে হবে।
🔶 চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ হলো ইনভাইটেশন। আপনার পরিচিত কেও কানাডাতে থাকলে তার থেকে ইনভাইটেশন নিয়ে আসতে পারেন। ইনভাইটেশন এর ফরমেট আমরাই আপনাকে দিয়ে দিবো। ইনভাইটেশন একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে অবশ্যই তবে এটি বাধ্যতামুলক নয়। আপনার যদি কানাডাতে কেও না থেকে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ইনভাইটেশন ছাড়া হোটেল এড্রেস ব্যবহার করতে পারেন।
🔶 পঞ্চম এবং সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আপনার কান্ট্রি টাই প্রমান করা৷ আপনার যে নিজ দেশের প্রতি টান আছে এবং আপনি যে কানাডা থেকে ফেরত আসবেন সেটা প্রমান করাটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রমান করার পথ হলো VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে নিজের দেশে যে আপনার শক্ত একটি অবস্থান আছে সেটা উল্লেখ করা।
🔷 কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা সহজে আপনাদের জন্য উল্লেখ করার চেষ্টা করছিঃ
১. বর্তমান পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (ইনফরমেশন পেজ অর্থাৎ যেখানে আপনার তথ্য রয়েছে সেই পেজ) অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
২. পুরাতন পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (যেখানে বিগত ১০ বছরের এন্ট্রি এবং এক্সিস্ট সিল রয়েছে অর্থাৎ শুধু ভিসা ও সিল রয়েছে সেই পেজ গুলা লাগবে) অবশ্যই একটা পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য যেমন ইউনিভার্সিটির নাম, পোস্ট গ্রাডুয়েশন এর পাশের সাল। কোন ধরনের সার্টিফিকেট লাগবে না শুধুমাত্র পাশের সাল গুলো (ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা খুব বেশি জরুরী না,থাকলে দিতে পারেন না থাকলে খুব বেশি জরুরি না)
৪. বিগত ৪ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সলভেন্সি এফডিআর থাকলে দিতে পারেন (এটাসটেড)
৫. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি ইংলিশ নোটারাইজড
৬. অ্যাসেট ভাল্যুশন (এটা সিএ ফার্ম থেকে করে দিতে হবে এবং নোটারাইজড হতে হবে)
৭. চাকুরীজীবি হলে স্যালারি স্ট্যাটমেন্ট অথবা পে স্লীপ লাগবে
৮. ওয়াইফ, ভাই-বোন, সন্তান এর বাসার এড্রেস, ফোন নাম্বার ইমেল আইডি
৯. বাবা মা এর জন্ম সাল যদি জীবিত থাকে, মৃত্যু হলে প্রয়োজন নেই।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ করে দিতে হবে। (নোটারাইজ)
১২. ভোটার আইডির স্ক্যান কপি বা বার্থ সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি (ভোটার আইডির সাথে যদি পাসপোর্ট এর কোন প্রবলেম ও থাকে সেই ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই sop তে লিখে দিলেই হবে
১৩. ৩৫*৪৫ সাইজ এর ছবি কানাডায়িন সাইজ।
১৪. পাসপোর্ট, বাসার এড্রেস, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার।
বর্তমানে কানাডার এম্বাসি ফি এবং ভিএফএস ফিংগার দেয়ার ফি হলো $১৮৫ কানাডিয়ান ডলার।
সকল ডকুমেন্টস এবং এম্বাসি ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে গুলশানের ভিএফএসে যেয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেয়া লাগবে তারপর কেবল অপেক্ষা করা লাগবে এম্নাসি এর সিদ্ধান্তের জন্য। যদি এম্বাসি আপনার ভিসা অনুমোদন করে থাকে তাহলে ইমেইল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট গুলশানের ভিএফএসে জমা করতে বলবে। আপনার পাসপোর্ট ভিএফএস থেকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই ভিসা প্রিন্ট হয়ে পরবর্তীতে ভিএফএস থেকেই আপনার পাসপোর্ট আপনাকে ফেরত দেয়া হবে।


New Land Visa Consultancy Service

 #বৈধপথে ইউরোপে প্রবেশে যে ভিসা দরকার #ইউরোপে বৈধপথে প্রবেশের জন্য কোন ভিসার আবেদন করবেন? কোন ভিসা পেতে কী ধরনের কাগজপ্র...
06/01/2023

#বৈধপথে ইউরোপে প্রবেশে যে ভিসা দরকার

#ইউরোপে বৈধপথে প্রবেশের জন্য কোন ভিসার আবেদন করবেন? কোন ভিসা পেতে কী ধরনের কাগজপ্রত্র প্রয়োজন-- এমন বহু প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে ইনফোমাইগ্রেন্টস।

#আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ডেনমার্ক ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য মোট ২৫টি দেশের জন্য নিচের ভিসার (ধরণগুলি) প্রযোজ্য।

#উচ্চ-যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী বা 'হাইলি-স্কিলড ওয়ার্কার'-দের জন্য ব্লু-কার্ড

#ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশ থেকে আসা উচ্চ শিক্ষিত, দক্ষ কর্মী অথবা গবেষকদের ব্লু কার্ড দেয়া হয়৷ এক্ষেত্রে নিচের শর্তগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে৷

* আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন৷
* আবেদনকারীকে কাজের চুক্তিপত্র অথবা কাজের প্রস্তাব থাকলে তার প্রমাণ দেখাতে হবে৷
* ব্লু কার্ড আবেদনকারীকে উচ্চ বেতনধারী হতে হবে৷ যেমন, ২০১৯ সালে জার্মানিতে এজন্য আবেদনকারীর বার্ষিক ন্যুনতম বেতনের শর্ত ছিল ৫৩,৬০০ ইউরো৷ তবে বিজ্ঞান, গণিতসহ কর্মীর অভাব রয়েছে এমন পেশার জন্য তা ৪১,৮০৮ ইউরো পর্যন্ত বিবেচিত৷
* ডেনমার্ক ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব দেশেই ব্লু কার্ডের জন্য আবেদন করা যায়৷ নির্দিষ্ট দেশের অভিবাসন বিষয়ক কার্যালয়ে আবেদনটি জমা দিতে হবে৷
* আবেদনকারী নিজে, তার চাকরিদাতা অথবা তার পক্ষ থেকে কোনো আইনি প্রতিষ্ঠানও আবেদন জমা দিতে পারবে৷

#জার্মানিতে আবেদন ফি হিসেবে জমা দিতে হবে ১১০ ইউরো৷ তিন মাসের নবায়নের জন্য দিতে লাগবে ৬৫ ইউরো, এর বেশি হলে ৮০ ইউরো৷ কার্ড নতুন করে তুলতে চাইলে ৬০ ইউরো প্রদান করতে হবে৷

#আইসিটি বা ইন্ট্রা-কর্পোরেট ট্রান্সফার্স

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো সংস্থায় কাজের সুযোগ পান, যেটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে নথিভুক্ত, তারা এই বিভাগে ভিসার আবেদন করতে পারেন। এমন সংস্থাগুলি তাদের ইইউ-স্থিত অফিসে কর্মীদের বদলি করলে সেক্ষেত্রে কর্মীদের এই ভিসার দরকার পরে।

সেক্ষেত্রে নিচের শর্তগুলি পূরণ করতে হবে।

* আবেদনকারী বা নিয়োগকারী সংস্থাকে প্রমাণ করতে হবে যে আবেদনকারীর নিজের দেশে ও ভিসাপ্রদানকারী দেশে সংস্থাটির অফিস রয়েছে।
* আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে আবেদনের তিন থেকে বারো মাস আগ পর্যন্ত তিনি সেই সংস্থায় কর্মরত।
* নিয়োগের চুক্তি দেখাতে হবে।
* যে কাজের জন্য নিযুক্ত করা হচ্ছে, তার জন্য সকল শিক্ষাগত ও ব্যবহারিক যোগ্যতা আবেদনকারীর রয়েছে।
* প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট বা ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট আবেদনকারীর রয়েছে।
* প্রমাণ করতে হবে যে, আবেদনকারীর স্বাস্থ্যবীমা রয়েছে বা ভবিষ্যতে থাকবে।

এছাড়াও, আবেদনকারীর নিয়োগের চুক্তিতে থাকতে হবে নিচের তথ্যগুলি।

* বদলির সময়সীমা, বদলির পর কর্মস্থানের ঠিকানা, ম্যানেজার, বিশেষজ্ঞ বা প্রশিক্ষণরত কর্মী হিসাবে নিয়োগের সম্মতি, বেতন ও অন্যান্য শর্তাবলী, বদলির সময় শেষ হলে কর্মীর দেশে ফিরে যাবার বিষয়ে উল্লেখ।

এছাড়াও, আবেদনকারীকে ইউরোপে একটি বাসস্থান বা ঠিকানা দেখাতে হবে। তাছাড়া, বদলি হওয়া কর্মীর মাইনে অন্যান্য সমমানের কর্মীদের চেয়ে কম হতে পারবে না।

#গবেষকদের জন্য ভিসা

তিন মাসের বেশি সময়ের জন্য যে ব্যক্তি কোনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বীকৃত গবেষণা সংস্থার সাথে গবেষণার চুক্তিতে যাবেন, তাদের জন্য রয়েছে এই বিভাগের ভিসাটি।

সেক্ষেত্রে প্রথমে, গবেষণা সংস্থার সাথে 'হোস্টিং এগ্রিমেন্ট' বা আমন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে আবেদনকারীকে। এছাড়া আবেদনকারীকে দেখাতে হবে যে তার এই গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, পর্যাপ্ত অর্থ ও স্বাস্থ্যবীমা রয়েছে।

এইসব শর্ত পূরণ করার পর ব্যক্তিকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট ও হোস্টিং এগ্রিমেন্ট দেখাতে হবে। যদি গবেষণার সময়ের সব খরচ কোনো সংস্থা বহন করে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠপোষকতার কাগজও ভিসার আবেদনের সময় দেখাতে হবে।

এই ভিসায় থাকাকালীন কোনো ব্যক্তি তার পরিবারকেও সাথে নিয়ে আসতে পারেন এবং ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সেই ব্যক্তি একজন সাধারণ ইইউ নাগরিকের সকল শ্রম অধিকার যেমন সামাজিক নিরাপত্তা ও গণপরিবহন ব্যবহারে ছাড়ের মতো সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

#মৌসুমী কর্মী বা সিজনাল ওয়ার্কার ভিসা

ইইউ বহির্ভূত রাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি একটি বিশেষ সময়ের জন্য কোনো ইইউ-স্থিত সংস্থায় কাজের সুযোগ পান, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এই ভিসাটি।

সেক্ষেত্রে নিচের নথিগুলি দেখাতে হবে।

* কাজের চুক্তিপত্র যেখানে মৌসুমী কর্মী হিসাবে নিয়োগের কথা উল্লেখ আছে। এছাড়া, ঠিক কোন ধরনের কাজ করতে হবে, বেতন কত, প্রতি সপ্তাহ বা মাসে কত ঘণ্টার কাজ, ছুটির অধিকারসহ সব বিষয় স্পষ্ট করে লেখা থাকতে হবে সেখানে।
* পাসপোর্ট বা হালনাগাদ ট্রাভেল ডকুমেন্ট।
* স্বাস্থ্যবীমা।
* কাজের মেয়াদ থাকাকালীন নির্দিষ্ট বাসস্থানের তথ্য।

বিভিন্ন দেশের নিয়মভেদে, এই ভিসা সাধারণত এক বছরে পাঁচ থেকে নয় মাসের কাজের জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। এই ভিসায় নিজের পরিবারকে সাথে আনার অধিকার থাকেনা। শ্রম অধিকারের ক্ষেত্রে ঠিক কোনগুলি প্রযোজ্য, তাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা থাকে। দেশের নিয়মভেদে, এই অধিকারগুলি আলাদা আলাদা।

#শিক্ষার্থী বা #স্টুডেন্ট ভিসা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণদৈর্ঘ্যের বা ফুলটাইম কোর্সে অ্যাডমিশন বা ভর্তি হওয়া কোনো ব্যক্তি এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন।

এই ভিসা আবেদন করতে প্রমাণ করতে হবে যে,

* আবেদনকারী একটি কোর্সে অ্যাডমিশন পেয়েছেন, যা শেষ করলে তিনি কোনো নির্দিষ্ট সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা বা ডিগ্রী লাভ করবেন,
* পড়ালেখার মেয়াদের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ, যা দিয়ে আবেদনকারী থাকা-খাওয়া, পড়াশোনার পাশাপাশি দেশ থেকে আসা-যাওয়ার খরচও মেটাতে পারবে,
* প্রমাণ করতে হবে যে, আবেদনকারী কোনোভাবেই ইউরোপের গণনিরাপত্তা, গণস্বাস্থ্য বা গণনীতির জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে না,
* প্রমাণ করতে হবে যে, আবেদনকারী পড়াশোনার কোর্সের ভাষাটি জানেন,
* প্রমাণ করতে হবে যে কোর্সটির প্রয়োজনীয় টিউশন ফি আবেদনকারী দিয়েছেন।

#এছাড়া, নিচের নথিগুলি লাগবে

* পাসপোর্ট বা ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট
* অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে বাবা-মা বা আইনি অভিভাবকের সম্মতি
* স্বাস্থ্যবীমা
* ভিসার আবেদনের ফি দেবার প্রমাণপত্র।

#শিক্ষার্থীরা পার্টটাইম বা স্বল্পমেয়াদী কাজ করতে পারেন। এক্ষেত্রে, প্রতিটি ইইউ-রাষ্ট্র নিজেদের আলাদা আলাদা নিয়ম ঠিক করেছে, কিন্তু একজন শিক্ষার্থী সব ইইউ রাষ্ট্রেই সর্বনিম্ন (দশ ঘণ্টা) প্রতি সপ্তাহে কাজ করার সুযোগ পান।

কোনো কোনো দেশে এক বছর পড়াশোনা করার পর কাজের অনুমতি পাওয়া যায়, তার আগে নয়।

এই ভিসায় ইউরোপের কোনো দেশে এসে সেই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও যদি কেউ থেকে যান, তাহলে সেক্ষেত্রে তিনি অবৈধ হিসাবে গণ্য হবেন। এমন ক্ষেত্রে, সেই ব্যক্তিকে দেশ থেকে বের করে দেবার অধিকার রয়েছে ভিসাপ্রদানকারী দেশের।

#অবৈতনিক প্রশিক্ষণ, এক্সচেঞ্জ স্কুল শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবী ভিসা

অবৈতনিক কাজের জন্য প্রশিক্ষণের চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি, যার এই অবৈতনিক কাজের সময়ে জীবনযাপনের পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে, তারা এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

#অবৈতিনিক প্রশিক্ষণের জন্য আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে,

* ইইউ-স্থিত কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথে তিনি চুক্তিবদ্ধ,
* প্রশিক্ষণের সময়ের সকল খরচ বহন করতে তিনি সক্ষম। পাশাপাশি, যাওয়া-আসার সকল খরচও তিনি দিতে পারবেন,
* এছাড়া, দেশভেদে প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন হতে পারে ভাষাজ্ঞানও।

#এক্সচেঞ্জ স্কুল শিক্ষার্থী বিভাগে ভিসার জন্য আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে,

* মাধ্যমিক স্তরের কোনো শিক্ষাকেন্দ্রে পড়াশোনার জন্য আবেদন গৃহীত হয়েছে,
* কোনো ইইউ সদস্য রাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থী এক্সচেঞ্জ প্রকল্পে অংশগ্রহণ করছেন,
* শিক্ষার্থীর সকল খরচ বহন করছে হোস্ট বা আমন্ত্রণকারী সংস্থা,
* কোনো হোস্ট ফ্যামিলি বা পরিবারের সাথে থাকার অনুমতি,
* হোস্ট রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া বয়সসীমার মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর বয়স।

#স্বেচ্ছাসেবী বিভাগে ভিসার জন্য আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে,

* হোস্ট রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া বয়সসীমার মধ্যে রয়েছে আবেদনকারীর বয়স,
* যে সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবার জন্য যেতে ইচ্ছুক তিনি, সেই সংস্থার সাথে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন। সেই চুক্তিতে থাকতে কাজের সময়, কাজের ধরন সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে।
* এছাড়া, ভিসার মেয়াদের সকল খরচ বহন করতে পারেন তিনি, তাও দেখাতে হবে।
* অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা আইনি অভিভাবকের অনুমতি দেখাতে হবে।
* স্বাস্থ্যবীমা রয়েছে।
* সংস্থার চিঠি যেখানে তারা আবেদনকারীর দায়িত্ব গ্রহণ করছে।

এই ভিসার ক্ষেত্রেও, ইউরোপের কোনো দেশে এসে সেই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও যদি কেউ থেকে যান, তাহলে তিনি অবৈধ হিসাবে গণ্য হবেন। এমন ক্ষেত্রে, সেই ব্যক্তিকে দেশ থেকে বের করে দেবার অধিকার রয়েছে ভিসাপ্রদানকারী দেশের।

Land Visa Consultancy Service


ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে রোমে যাওয়ার সময় মুম্বাইয়ে আটক বাংলাদেশিনিজেকে একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বলে দাবি করেছেন ৩২ বছর বয়সী...
05/28/2023

ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে রোমে যাওয়ার সময় মুম্বাইয়ে আটক বাংলাদেশি

নিজেকে একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বলে দাবি করেছেন ৩২ বছর বয়সী বাংলাদেশি এক নাগরিক। জাল ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে ইতালির রোমে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
বান্দরবানের বাসিন্দা বিপন অনিল বড়ুয়াকে বুধবার (২৪ মে) দিবাগত রাতে মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করা হয়। রোমের ফ্লাইট ধরার আগেই চেকিংয়ের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন তিনি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ভোরে মুম্বাই থেকে মাস্কাট হয়ে রোমে যাওয়ার কথা ছিল বড়ুয়ার। এ সময় অভিবাসন দপ্তরের কর্মকর্তারা পাসপোর্ট চেক করার সময় তার বিস্তারিত তথ্য সিস্টেমে দিতেই বিপত্তি দেখা দেয়। বিপন অনিল বড়ুয়ার বিরুদ্ধে ‘লুক আউট সার্কুলার’ জারি হয়েছে মুম্বাইয়ের ফরেনারস রেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে।
‘লুক আউট সার্কুলার’ অনুযায়ী, বড়ুয়া একজন বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী। তিনি জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে জালিয়াতি করে ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেছিলেন।
যদিও ধরা পড়ার পরও বিপন জানান, তিনি একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এবং হরিদাসপুর সীমান্ত হয়ে ২০১৫ সালে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান। ২০১৬ সালে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে থাকার সময় তিনি ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেন। ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে ইতিমধ্যে তিনি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, এমনকি যুক্তরাজ্যেও গিয়েছিলেন বলে অভিবাসন দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বিপন অনিল বড়ুয়ার আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড বাজেয়াপ্ত করেছেন অভিবাসন দপ্তরের কর্মকর্তারা। মুম্বাইয়ের সাহার থানার পুলিশের হাতে তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিপনকে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, জাল নথি দেওয়া এবং পাসপোর্ট আইনের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


05/28/2023

যারা নিউ ইমিগ্র্যান্ট হিসাবে প্রবাসী হয়, তাদের একটা অংশকে নিয়েই আমার এই লেখাটা ।
**
তাদের প্রথম ৫ বছর যায় স্ট্রাগল পেরিওড। সে তখন জব খোঁজে, ভাড়া বাসা বা অ্যাপার্ট্মেন্ট খোঁজে থাকার জন্য । এর মধ্যে গাড়ি কিনে ফেলে এবং হন্যে হয়ে চাকরি খোঁজে । বার বার মনে হয় “এসে বিরাট ভুল করে ফেলেছি, দেশেই ভালো ছিলাম”। এই পর্যায়ে ইমিগ্রেশন নিয়ে আসা নতুন দেশটা সম্বন্ধে সমানে বদনাম করে, সেখানকার প্রতিটা সিস্টেমকেই বাজে বলে আখ্যা দেয়। এই সময়ে সবচাইতে বড় কালচারাল শকে পতিত হয় এরা । এর মধ্যে ২/৩ বছর পার হয়ে যাওয়ার মধ্যেই যখন সে জব পেয়ে যায়, তখন একটু পাল্টে যায় ।
**
এরপরের ৫ বছর শুরু হয় হানিমুন পেরিওড অর্থাৎ তখন সে জব পেয়ে যায় এবং টাকা পয়সা কামানো শুরু করে স্বামী স্ত্রী মিলে । এই পেরিওডে ওরা “মন কিযে চায় বলো, যারে দেখি লাগে ভালো” পর্যায়ে চলে যায় অর্থাৎ সব কিছুকে খুব ভালো লাগতে শুরু করে । তারা চেনা জানা সবাইকে বাসায় দাওয়াত করে এবং কিভাবে চাকরি পেলো, কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেলো, সেসব নিয়ে আলোচনা করে । খাওয়া দাওয়া শেষে কারাওকি বাজিয়ে গান করে । কারাওকির বড় বড় দুটো স্পিকারে সাধারণত লাল নিল লাইট লাগানো থাকে, লাইটগুলো বিটের সাথে সাথে জলা নিভা করতে থাকে । এই পর্যায়ে প্রবাসীদের অনেক লুক্কায়িত প্রতিভা বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে।
এই সময়টায় নিজেরাও দাওয়াত খেয়ে বেড়ায়। পরিচিত কোন মানুষের বাসার দাওয়াত থেকে বাদ পড়লে অভিমান করে, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় । বিভিন্ন পার্কে পিকনিকে করে এবং ভাবি ভাইরা সবাই মিলে পিলো পাসিং খেলে । বাচ্চাদের বিভিন্ন খেলার ব্যাবস্থা থাকে । একটা র‍্যাফেল ড্র থাকে যেখানে ৫০ ইঞ্চি টেলিভিশন প্রথম পুরস্কার হিসাবে থাকে। এসব পিকনিকগুলো রিয়েল এস্টেট এজেন্টরা স্পন্সর করে থাকে, বিশেষ করে র‍্যাফেল ড্র’র টেলিভিশনটা ৯৯% ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট এজেন্টরা স্পন্সর করে থাকে ।
**
এরপরের ৫ বছর ওরা বাড়ি কেনে এবং বেইজমেন্ট ভাড়া দিয়ে দেয় । অতঃপর হাউজ ওয়ার্মিং পার্টি করে এবং জানা অজানা অনেক মানুষকে দাওয়াত করে । বিশেষ করে যাদের বাড়ি নাই তাদের দাওয়াত করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় বেশি । নতুন আসা ইমিগ্র্যান্টদের অ্যাডভাইজ দেয় । যারা বাড়ি কেনেনি তাদের ব্যাপারে উৎসুক হয়ে জানতে চায় কেন বাড়ি কেনেনি এবং তাদের বুঝিয়ে দেয় বাড়ি না কেনা কত বড় পাপ । এর মধ্যে দ্বিতীয় বাড়ি কিনতে উদ্যত হয় এবং অনেকে কিনে ফেলে এবং ভাড়া দিয়ে দেয় ।
**
এর পরের ৫ বছর এক ধরনের থিতিয়ে পড়া অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে থাকে । হানিমুন পেরিওড বেশ আগেই শেষ হয়ে যায় বিধায় দাওয়াতের ব্যাপারে এরা সিলেক্টিভ হয়ে যায় । অযথা হই চই এর মধ্যেও চলে আসে একধরনের সীমাবদ্ধতা । প্রবাস জীবনকে রিয়েলাইজ করতে শুরু করে দেয়, দেশকে সত্যিকারের মিস করতে শুরু করে । জীবনে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব কশতে শুরু করে ।
**
এরপরের ৫ বছর সবকিছুতেই এক ধরনের ক্লান্তি এসে পড়ে, জীবনটায় চলে এক ধরনের একঘেয়েমি ব্যাপার । মেলামেশার ব্যাপারে এরা আরও সিলেক্টিভ হয়ে যায়। প্রথম বা দ্বিতীয় বাড়ি ইতিমধ্যে বিক্রি করে এরা শহর থেকে দূরে কোথাও চলে যায়। একটু আইসোলেটেড লাইফ পছন্দ করা শুরু করে । বিদেশী অনেক আচার আচরন এদের মধ্যে চলে আসে। এদের ছেলেমেয়েরা ইতিমধ্যে বিয়েসাদি করে ফেলে । অনেকেই বিভিন্ন দেশের ছেলে বা মেয়েকে বিয়ে করে । এই পর্যায়ে এই এমালগ্যামেট বিষয়টা আর তেমন উল্লেখযোগ্য বিষয় থাকেনা, নরমাল হয়ে যায়। ক্রমেই এরা হারিয়ে যায় কোন এক অজানা সভ্যতায় ।

*🇮🇹ইতিমধ্যে অনেকেই ইতালিতে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন , তাদের জন্য কিছু পরামর্শ !১। চেষ্টা করুন ভাষা শিখে আসতে ।২। ইতালিতে আ...
05/22/2023

*🇮🇹ইতিমধ্যে অনেকেই ইতালিতে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন , তাদের জন্য কিছু পরামর্শ !
১। চেষ্টা করুন ভাষা শিখে আসতে ।
২। ইতালিতে আসার পর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন ইতালিয়ানদের সঙ্গে কাজ করার( বেতন কিছু কম হলেও)
৩। এখানে এসে অনেকেই মদ বিয়ার পান করবেন ( হারাম না খেতে পরামর্শ রইলো) রাস্তা বা পার্কে না পান করে বাসায় খাবেন ! নয়তো জিঙ্গারি ( ঝাঝাবর বলবে ইতালিয়ানরা )
৪ । 🇮🇹 ইতালিয়ান ছেলে মেয়েদের লিপ কিস বা জরিয়ে ধরা এখানে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু আপনি তাকিয়ে থাকতে পারবেন না তাদের দিকে !
৫। খবরদার শিশুদের কোন প্রকার চর থাবরা তো দূরে থাক চুখ লাল করে তাকাবেন ও না ( নন সি তুক্কা বামবিনো ) যত কিছুই হয়ে যাক শিশুদের কিছু বলা নিষেধ 🇮🇹 ইতালিতে 🔥
৬। পাবলিক প্লেসে ঢেঁকুর তোলা থেকে বিরত থাকুন ( শুকর বলবে ) নাক ঝারতে পারবেন খাবার টেবিলে ও কিন্তু টিস্যু পেপার দিয়ে 😜
৭। চেষ্টা করুন রোম শহর থেকে উপরের দিকে বসবাস করার ( Firenze, Torino , Milano , Venezia )
৮।ডকুমেন্ট হলে ইউরোপের অন্যান্য দেশ গুলো ঘুরে আসুন ( শুধু কাজে জীবন শেষ করে দিয়েন না 🙏🏼)
.. ধন্যবাদ ... 🇧🇩❤️🇮🇹

05/15/2023

সুখবর সুখবর যারা মাল্টা যেতে চান তাদের জন্য সুখবর খুব দ্রুত মাল্টার ওয়ার্ক
পারমিট ভিসার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।🇲🇹🇲🇹

ক্রোয়েশিয়া কি বাংলাদেশ থেকে ভিসা হচ্ছে?বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা: অনেকেই বলতে পারেন বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়ার ...
05/15/2023

ক্রোয়েশিয়া কি বাংলাদেশ থেকে ভিসা হচ্ছে?

বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়া ভিসা: অনেকেই বলতে পারেন বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়ার ভিসা হচ্ছে কিনা? হ্যাঁ অবশ্যই বাংলাদেশ থেকে ক্রোয়েশিয়ার ভিসা হচ্ছে। এবং ভিসার রেট বলা চলে মোটামুটি 100 পার্সেন্ট ঠিক আছে। কারণ এটা নির্ভর করে আপনার ওয়ার্ক পারমিট এর তথ্য কতটা সঠিক। যদি আপনার ওয়ার্ক পারমিট সঠিক এবং বৈধ হয়ে থাকে তাহলে ক্রোয়েশিয়ার ভিসা পাওয়া একদম সহজ। এটা নিয়ে আপনার কোনো ঝামেলার সম্মুখীন হতে হবে না।

আমরা আছি আপনাদের সাথে বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা কল করুন।

০১৬১৪৭৭৭৬৭০


#ক্রোয়েশিয়া

 #ক্রোয়েশিয়া
05/14/2023

#ক্রোয়েশিয়া

ক্রোয়েশিয়া জব ভিসাক্রোয়েশিয়া জব ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবেন ?"ক্রোয়েশিয়ার জব ভিসা" বা ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমি...
05/14/2023

ক্রোয়েশিয়া জব ভিসা

ক্রোয়েশিয়া জব ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবেন ?

"ক্রোয়েশিয়ার জব ভিসা" বা ক্রোয়েশিয়া ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করার জন্য অবশ্যই আপনি কি কোন বিশ্বস্ত এজেন্সির কাছ যেতে হবে এবং সেই এজেন্সি আপনার ওয়ার্ক পারমিট ম্যানেজ করে দিবে। বাকি যেই ক্রোয়েশিয়ার জব ভিসা প্রসেসিং গুলো আছে সেগুলো পুরোটাই তারা সম্পাদন করবেন।

আর আমরাই দিচ্ছি আপনাদেরকে 100% নিশ্চয়তা। আপনি যদি ক্রোয়েশিয়া যেতে চান তাহলে আমাদের সাথে দ্রুত যোগাযোন করুন। কারণ আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে ফাইল নেয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

#ক্রোয়েশিয়া

Address

148-25 89th Avenue
Queens, NY
NY11435

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when New Land Visa Consultancy Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to New Land Visa Consultancy Service:

Share